পবিত্র ঈদুল আযহার ১৮৭ তম জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে। দেশের বৃহত্তম ঈদগাহ হিসাবে পরিচিত এই মাঠে এই জামাতে ঈদুল ফিতরের তুলনায় মুসল্লির সংখ্যা কম হলেও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই ঈদেও নামাজ আদায় করতে এসেছিলেন অনেক মুসল্লি। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা জানান, প্রাচীন এই ঈদগাহের ঐতিহ্যের কথা শুনে বাড়িতে কোরবানীর আনুষ্ঠানিকতা সত্ত্বেও তারা এই মাঠে হাজারো মুসল্লীর সঙ্গে এক কাতারে সামিল হওয়ার জন্য ছুটে এসেছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঈদের দিন সকালে মুসল্লিদের জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি ট্রেন ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা ও নামাজ শেষে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। সকাল ৯টায় নামাজ শুরু হয়।
নামাজে খুতবা পাঠ, ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।
মাঠের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে র্যাব ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক প্রহরায় নিয়োজিত ছিল। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠে মাটির ও কুটির শিল্পজাত দ্রব্যাদির মেলা বসেছিল।
