`দেশ থেকে রুটি আর গরুর শুটকি নিয়ে এসো'

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৪, ১৪:৫২
 
তসলিমা নাসরিন তার ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বলেছেন, আজ খুব গরুর শুটকি খেতে ইচ্ছে করছে। মা চমৎকার রাঁধতো শুটকি। ঈদের কিছু মাংস দড়িতে গেঁথে রোদে দিত। অনেকদিন রোদ পেয়ে মাংসগুলো শুকিয়ে শক্ত হয়ে থাকত। পরে কোনো একদিন ওগুলোকে শিলপাটায় নরম করে পেয়াঁজ, রসুন, আদা, হলুদ, ধনে, জিরে, লঙ্কা, লবণ মিশিয়ে ভাজত। সেই গরুর শুটকির ঝুরি আর পাতলা চালের রুটি মা আমাদের খেতে দিত সকালে। এর চেয়ে ভালো সকালের নাস্তা, আমি সত্যি বলছি, কোনোদিন খাইনি। দেশ থেকে রুটি আর গরুর শুটকি নিয়ে এসো'কোরবানির গোশত নিয়ে তার স্মৃতিচারণ করেছেন।
মঙ্গলবার সফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, কেউ দিল্লি গেলে তার জন্য যেন পাতলা চালের রুটি আর গরুর শুটকি নিয়ে যায়।  খেতে খেতে ভেবে নেবেন তার মা এসব রেঁধে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, তনিভারত থেকে গরু না গেলে বাংলাদেশের লোকেরা কী কোরবানি দিত সেটাই ভাবি। কোরবানির ঈদের নিশ্চয়ই বারোটা বাজত। ভারতের গরু চলে যায় ভারতের বাইরে। আর ভারতে বসে গরুর মাংস জোটে না আমাদের।  
 
তিনি বলেন, দিল্লিতে গরু জবাই নিষিদ্ধ। গরুর মাংসের নামে যা পাওয়া যায়, তা মোষের মাংস। মোষের দুধ, মোষের মাংস কোনোটাই আমার ভালো লাগে না। ইউরোপ আমেরিকায় গেলে প্রচুর গরু খাই। দীর্ঘদিন গরু না খেতে পাওয়ার হা পিত্যেসগুলো যেন ঝরে যায়।