ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে গত ২ অক্টোবর বিষ্ফোরণে দুই সন্দেহভাজন নিহত হওয়ায় জঙ্গিদের গতিবিধি নিয়ে ঢাকার কাছে নয়া দিল্লি তথ্য চাইতে পারে| খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার|
২ অক্টোবরের ঘটনায় নিহত শাকিল আহমেদ বাংলাদেশি— বিষয়টি ষ্পষ্ট হওয়ার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দুই দেশে জঙ্গিদের আসা-যাওয়ার তথ্য পেতে চাইছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়।
ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি— ২ অক্টোবর বর্ধমানের ওই বাড়িতে বোমা বানানোর সময় বিষ্ফোরণে শাকিল ও স্বপন ওরফে সুবহান মণ্ডল নিহত হন। তারা জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য।
ঘটনার দিন শাকিলের স্ত্রী গুলশানা বিবি ওরফে রাজিয়া বিবি এবং বোমা বানানোর সঙ্গে জড়িত ও বিষ্ফোরণের ঘটনায় আহত আব্দুল হাকিমের স্ত্রী আমিনা বিবিকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এনআইএ জানিয়েছে— বাংলাদেশে উত্সবের সময় হামলা চালানোর জন্য বর্ধমানে বোমা বানানো হচ্ছিল। বোমা বিষ্ফোরণের পর ওই দুই নারী যেভাবে পরিস্থিতি সামলাতে চেয়েছেন, তাতে বোঝা গেছে তারাও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
এ দিকে ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন— আব্দুল খাদের সুলতান আরমার নামের এক ব্যক্তিকে খুঁজছে এনআইএ। এনআইএর ভাষ্য—আরমার আনসার-উল তাওহিদ (এইউটি) নামের একটি সংগঠনের প্রধান । তিনি ভারতের হায়দ্রাবাদ ও চেন্নাইয় থেকে পাওয়া অনুসারীদের কয়েক দফায় কলকাতা যেতে বলেন, যাতে তারা বাংলাদেশে ঢুকে জিহাদের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।
সংস্থাটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বোমা বানানোর কার্যক্রম দেখতে গত মাসে চারজন বাংলাদেশি বর্ধমানের ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন।’
২ অক্টোবরের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গত রবিবার বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে গ্রেপ্তার হাসান মোল্লা বাংলাদেশি কি না, তা খতিয়ে দেখছে এনআইএ। নিষিদ্ধ জেএমবি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য জানতে চায় সংস্থাটি।
