সাফারি পার্কে সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থী সমাগম

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৪, ২৩:৪৩

গাজীপুরের শ্রীপুরের ইন্দ্রপুর (বাঘেরবাজার) এলাকায় ৩ হাজার ৬শ ৯০ একর জায়গার ওপর ২শ ৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সাফারি পার্ক। ২০১০ সালের জুনে ৬৩ দশমিক ৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। থাইল্যন্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ড-এর আদলে এটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহসড়কের বাঘের বাজার থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে সাফারি পার্কটির অবস্থান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের ঈদে পার্কে পার্কে সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিল। পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য বলেন, ঈদের দিন তিন হাজারের মতো দর্শনার্থী এলেও পরদিন মঙ্গলবার ১৫-১৬ হাজারের মতো দর্শনার্থী আসেন। সেখান থেকে ৫টি গাড়িতে চড়ে নির্ধারিত মাঠে থাকা উন্মুক্ত বাঘ, সিংহ, ভালুক, হরিণ, জেব্রা, জিরাফসহ বিভিন্ন জন্তু দেখছেন দর্শনার্থীরা।

তিনি জানান, পার্কে ১১টি বাঘ, ৯টি সিংহ, ৪টি জিরাফ, ৪টি হাতি, ২৮টি কুমির, ২০টি ম্যাকাউ, ৩ শতাধিক টিয়া, ৯টি ভালুক, ২৩টি হরিণ, ৪৫টি ক্রাউন ফিজ্যান্ট ও ৬টি জেব্রাসহ ৪৭ প্রজাতির সহস্রাধিক পশু-পাখি রয়েছে। এ ছাড়া তথ্য ও শিক্ষাকেন্দ্র, নেচার হিস্ট্রি মিউজিয়াম, পার্ক অফিস, বিশ্রামাগার, ডরমেটরি, বন্যপ্রাণী হাসপাতাল, কুমির পার্ক, লিজার্ড পার্ক, ফেন্সি ডাক গার্ডেন, ক্রাউন ফিজ্যান্ট এভিয়ারি, প্যারট এভিয়ারি, ধনেশ পাখিশালা, ম্যাকাউ ল্যান্ড, মেরিন একোয়ারিয়াম, অর্কিড হাউজ, প্রজাপতি বাগান, ক্লাইমেট হাউজ, ভালচার কর্নার, ঝুলন্ত সেতু, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, ফোয়ারা, বাঘ পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ, সিংহ পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ,কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র, ইকো-রিসর্ট, ফুট কোর্ট, এলিফেন্ট শো গ্যালারি, বার্ড শো গ্যালারি, এগ ওয়ার্ল্ড ও শিশুপার্ক চালু করা হয়েছে। এখানে  বাংলাদেশের বন ও প্রাণী বৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রকৃতিবীক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।