বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ভবিষ্যতে আমরা সরকার গঠন করলে সেটা হবে জনগণের সরকার। কোনো দলীয় সরকার বা মুসলমানের সরকার হবে না। বিএনপি জনগণের দল। সামপ্রদায়িক সমপ্রীতিতে বিশ্বাসী একটি দল। এই সম্প্রীতি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিএনপির সঙ্গে থাকলে বোঝা যাবে অন্যদলের সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য। আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ নয়, ধর্মনিরপেক্ষতা তাদের মুখোশ। তারা বিশ্বাস করে ধর্মহীনতায়। তারা নিজ ধর্মসহ অন্য ধর্মের উপর আঘাত করে। তাই দেশের সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
এছাড়া অধ্যাপক সুকমল বড়ুয়া, গৌতম চক্রবর্তী, অমলেন্দু দাশ, নিতাই ঘোষ, তরুণ দে, বিজন সরকার, নকুল চন্দ্র সাহা, নেত্রকোনা হিন্দু সমপ্রদায়ের প্রতিনিধি যোগেন্দ্র নাথ তালুকদার, শ্যামল ভৌমিক, বাগেরহাটের বাসুদেব মুন্সী খোকন, হিমাদ্রী শেখর, খুলনার এসকে রায়, সমীর কুমার সাহা, পাইকগাছার সন্তোষ সরকার, গৌরঙ্গ কুমার দত্ত, গোপাল দত্ত, ময়মনসিংহের নিরঞ্জন ভৌমিক, দেবাশীষ রায় মধু, রাজশাহীর অ্যাডভোকেট অংকুর সেন, শ্যামল রায়, রংপুরের পরিতোষ চক্রবর্তী, মানিকগঞ্জের সুধীর বাবু, তপন কান্তি বর্মণ, নারায়ণগঞ্জের বাপ্পী রায় চৌধুরী, গাজীপুর সুশান্ত সরকার, টাঙ্গাইলের শ্যামল হোড়, বরিশালের আশিস সরকার, সিলেটের অনুপ দে, চট্টগ্রামের অ্যাডভোটেক রূপু দাশ, নরসিংদীর দীপক কুমার বর্মনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজন অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
