‘কপিরাইট ব্যবস্থা: বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তা প্রয়োজন’

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৪, ১৯:৪৯
 
 
 
 
 
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, স্বয়ংক্রিয় মেধাসম্পদ নিবন্ধন ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে বাংলাদেশের শিল্প উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের দ্রুত পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। জেনেভা সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘের মেধাসম্পদ বিষয়ক সংস্থার মহাপরিচালক ড. ফ্রান্সিস গারির সাথে বৈঠকে এ কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কপিরাইট ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তা প্রয়োজন। মেধাসম্পদ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ফোরাম হিসেবে ডব্লিউআইপিও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মেধাসম্পদের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় নীতি, তথ্য ও প্রযুক্তি সহায়তা দিতে পারে। এ সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাসম্পদ একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের জাতীয় মেধাসম্পদ নীতি ও উদ্ভাবন কৌশল প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পরামর্শক সেবা প্রদানের জন্য মহাপরিচালককে ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মেধাসম্পদের মালিকানা সুরক্ষায় বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার ভূমিকা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

ড. ফ্রান্সিস গারি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত মধ্যম-আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে জ্ঞান-ভিত্তিক শিল্পায়নের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীল উদ্ভাবনে আগ্রহ সৃষ্টিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি জানান— বাংলাদেশের মেধাসম্পদের উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এর আগে শিল্পমন্ত্রী জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের দ্বি-বার্ষিক বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড লিডার্স ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেন। এতে অন্যদের মধ্যে আঙ্কটাডের মহাসচিব ড. মুখিসা কিটুই, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সেরও মহাসচিব জন ডেনিলোভিচ ও আমেরিকার অর্থনীতিবিদ জেফরে সেকস আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্তরায় ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ জরুরি। তারা এর জন্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার তাগিদ দেন।