শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে শ্রমপরিদর্শক হিসেবে ১৮৯ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ৩৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে এই ১৮৯ জনকে দ্বিতীয় শ্রেণির শ্রমপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
পিএসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আইম নেছারউদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরে শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) পদে ১২৭ জন, শ্রমপরিদর্শক (স্বাস্থ্য) ৩৯ জন এবং শ্রমপরিদর্শক (সেফটি) পদে ২৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে। তথ্যবিভ্রাটের কারণে ৬ প্রার্থীর ফল কমিশন সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। এদের পরবর্তীতে কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় কাজগপত্র/প্রত্যয়ন দাখিলের জন্য অবহিত করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির পাশাপাশি দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গত ১৭ জুন নন-ক্যাডার নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা ২০১০ সংশোধন করে সরকার। এর আওতায় এবারই প্রথম বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্যে থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হলো।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের পর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদফতরকে অধিদফতরে রূপান্তর এবং এতে কয়েক শ পরিদর্শক নিয়োগের শর্ত দেয়। এর আগেই ইইউ এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের (আইটিইউসি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল বাংলাদেশ সরকার। গত বছর জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য-সুবিধা (জিএসপি) স্থগিত হওয়ার পর তা পুনরুদ্ধারে ২০০ কারখানা পরিদর্শক নিয়োগ দেয়াসহ ১৫টি শর্ত দেয় দেশটি। সে অনুযায়ী গত বছর অক্টোবরে ২৫ জন প্রথম শ্রেণির পরিদর্শক নিয়োগ দেয় পিএসসি।
