খাদ্য দিবসের সেমিনারে মতিয়া চৌধুরী

এক কণাও খাদ্য যেন অপচয় না হয়

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০১৪, ২২:০৪
 
কৃষকদের পরিশ্রমের ফলে উত্পাদিন খাদ্যের এক কণা যেন অপচয় না হয় সে বিষয়ে নজর দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, ৫ বছর আগে বাংলাদেশের যে চেহারা ছিল তা আজ বদলেছে। দেশ আজ খাদ্য প্রাচুর্য্যের দিকে যাচ্ছে। এই অবস্থায় খেয়াল রাখতে হবে খাদ্য যাতে অপচয় না হয়।
বৃহস্পতিবার বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ‘পারিবারিক কৃষি : প্রকৃতির সুরক্ষা, সবার জন্য খাদ্য’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারের আয়োজন করে কৃষি মন্ত্রণালয়।
অনেকে জিএম ফসলের সমালোচনা করেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১০০ ভাগ জিএম ফসল সোয়াবিনের কথা কেউই বলে না। অথচ অন্য কিছুতে জিএমও হলেই আপত্তি হয়। অনেক লেখালেখি হয়।
মন্ত্রী জানান, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক কল্যানের এই ত্রিমাত্রাকে বিবেচনায় রেখে কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি, প্রকৃতির সুরক্ষা এবং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের ভিত্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার বেশ কিছু জাতীয় নীতি প্রণয়ন করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার জন্য খাদ্য ও পুষ্টির অনিরাপত্তার  বিরুদ্ধে সংগ্রামকে মূল মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কৃষি সচিব ড. এসএম নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক, কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান, কৃষি ও খাদ্য সংস্থার (এফওএ) বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাইক রবসন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার ফারুক।