জননন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনি চরিত্র খ্যাত নায়ার সুলতানা লোপার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগ ও ওয়েবসাইটে অনেকে টুনির মৃত্যুর জন্য সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা টুনির মৃত্যু সঠিক কারণ নির্ণয় করে ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তাদেও আইনের আওতায় আনার শাস্তি দাব করেছেন। এদিকে পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার লুৎফুল কবীর বলেন, ‘লোপার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃতদেহের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে মন্তব্য করা যাবে।’
গুলশান থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে খবর পেয়ে গুলশান-১ নম্বরের ১২৬ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়ির সি-৩ ফ্ল্যাট থেকে লোপার লাশ উদ্ধার করা হয়। বেডরুমের খাটের ওপর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ ঝুলে ছিল। তবে তার দুই পা খাটে অর্ধভাঁজ করা অবস্থায় ছিল।
এছাড়া গতকাল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সক জানান, মৃতের বুকে সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের ১২৬ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়ির সি-৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে লোপার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে জামাতা ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। তাদের বাবা আলী আমিন হত্যার অভিযোগে গ্রেফতারের পর কারাগারে রয়েছেন।
এদিকে, লোপার স্বামী বেঙ্গল তোয়াল ইন্ডাষ্ট্রিজের কর্মকর্তা আলী আমিনকে হত্যায় অভিযুক্ত করলেও শুক্রবার আদালতে গিয়ে তার মুক্তি চেয়েছেন রাজিয়া সুলতানা।
