আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসব অপরাধীরা যাতে ফাঁক-ফোঁকর দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে তাও নিশ্চিত করতে হবে। রবিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, ভবিষ্যতে যদি কোনো রাষ্ট্রপতি যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেন তবে তাতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে যাবে। যুদ্ধপরাধীদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমার বিধান রহিতে সরকারের নীতি নির্ধারকের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরো জানান, যুদ্ধাপরাধের দায়ে ব্যক্তির পাশাপাশি দল হিসেবে জামায়াতের বিচারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন (আইসিটি)’১৯৭৩ এর সংশোধনী মন্ত্রিসভার আগামী ৩ নভেম্বরের বৈঠকে উঠছে। ঐ বৈঠকে সংশোধনীটির খসড়া মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার প্রতিনিধি দল নিয়ে সচিবালয়ে মন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেন। মন্ত্রীর পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মোহাম্মদ জহিরুল হক।
এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের সুযোগ না রাখা, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রিভিউ পিটিশন এবং দল হিসাবে জামায়াতে ইসলামীর বিচারের দাবিতে আইনমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
