বেপরোয়া গতিই দুর্ঘটনার মূল কারণ

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৪, ১০:৩৫
 দুই গাড়ি চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। গাড়ির গতি তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। এছাড়া দুইটি গাড়িতেই অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। সোমবার নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা প্রাথমিক তদন্ত করে এই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. তানভীর হাসান।
গতকাল মঙ্গলবার ইত্তেফাকের সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে ড. তানভীর বলেন, যে স্থানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানকার রাস্তা ছিল অন্যান্য মহাসড়কের তুলনায় প্রশস্ত। আশেপাশে কোন বাজার বা বসতিও ছিল না। পথচারী ও অন্যান্য মোটরবিহীন যানবাহন চলাচলের জন্য এই মহাসড়কে আলাদা সাবওয়েও রয়েছে। এ কারণে ওই দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের মূল কারণ হিসাবে চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালনাকেই দায়ী করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের এই পরিচালক আরো বলেন, চালকদের অসতর্কতা ও অজ্ঞতা আছে। বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে এটি প্রধান কারণ। এছাড়া  মহাসড়কে ভারী যানবাহন (বাস ও ট্রাক) সঠিকভাবে চলছে কিনা- সে ব্যাপারে আইনের কোন প্রয়োগ নেই। আইনের প্রয়োগ না থাকায় প্রশস্ত রাস্তা বা ভালো গাড়ি হলেও কোন লাভ হচ্ছে না। মহাসড়কগুলোর পাশে বাজার সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি কারণ বলে তিনি মনে করেন। যারা বাজারে আসেন, তারা একটু অসতর্ক থাকেন। তাই বলে মহাসড়কের পাশ থেকে বাজার সরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। এজন্য যেসব স্থানে বড় বাজার রয়েছে, সেখানে বাইপাস নির্মাণ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 
সম্প্রতি মহাসড়কগুলোতে রোড ডিভাইডার স্থাপনের দাবির প্রেক্ষিতে অধ্যাপক তানভীর বলেন, নূন্যতম চারলেন সড়ক হলেই রোড ডিভাইডার দেয়া যায়। তা না হলে সড়ক যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। তাছাড়া অর্থনৈতিকভাবেও এটি যুক্তিযুক্ত হবে না।