এবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সরকারি তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হোসেন মোল্লাসহ সংস্থার নয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে। শুধু সনদ জালিয়াতি নয়, তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এ ৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এমনকি অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য টিম গঠন করেছে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে দুই সদস্যের টিমে রয়েছেন সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম।
সমপ্রতি দুদকের অনুসন্ধান ও সুপারিশ অনুযায়ী জনপ্রশাসনের চার সচিবসহ পাঁচজনের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের ঘটনা ঘটে। সরকারি তদন্ত সংস্থা দুদকের কর্মচারী-কর্মকর্তাদের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ব্যাপারটি কমিশনকে বিব্রত করেছে বলে দুদকের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির এসব কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
