দেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে কিন্তু বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ নীতিমালার ধারাবাহিকতা রক্ষা প্রয়োজন। মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। থাইল্যান্ডে নবনিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনীম সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির উপায় নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে ডিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাংলাদেশ-থাই চেম্বারের (বিটিসিসিআই) প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরেন। তারা বলেন— থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও এটি বাংলাদেশের প্রতিকূলে। থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা জরুরি। বাংলাদেশের বস্ত্রখাত, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, চামড়া, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাইদা মুনা তাসনীম বলেন— দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈকি সম্পর্ক শক্তিশালী করার চেষ্টা থাকবে। দেশটিতে বাংলাদেশ ওষুধপণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে বিদ্যমান পণ্যে ও বাইরের পণ্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে পাট ও পাটের ব্যাগ, হস্তশিল্প, এসএমই পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর পাশপাশি নিরাপত্তা সহযোগিতাও বাড়ানো সম্ভব। দেশটির বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আনতে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
ডিসিসিআই সভাপতি এম শাহজাহান খানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিটিসিসিআইয়ের সভাপতি সাজ্জাতুজ জুম্মা, আব্দুস সালাম, এম এস সিদ্দিকী প্রমুখ।
