দুসপ্তাহের ব্যবধানে চার অর্জন বিশাল স্বীকৃতি: জয়

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৪, ১৯:০৮
 
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) চেয়ারপার্সন, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সভাপতি,  বাংলাদেশ জাতিসংঘের জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত এবং ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের প্রশাসনিক কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে। এসব সাফল্য বাংলাদেশের অবস্থান ও জনপ্রিয়তার একটি বিশাল স্বীকৃতি।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফেইসবুকে নিজের পাতায় সজীব ওয়াজেদ জয় এ কথা বলেন। 
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ও বাংলাদেশের জন্য ঘটনাবহুল দুই সপ্তাহের সফল পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আজ আমি একজন বাঙালি হিসেবে আমার দেশের সরকার ও জাতিকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। যুদ্ধাপরীদের হোতা গোলাম আযমের শাস্তিকে ‘যথেষ্ট’ হিসাবে না দেখলেও সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে তার মৃত্যু হওয়ায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বলে মনে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি বলেন, তার শাস্তি যথেষ্ট ছিল না, কিন্তু ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের সময়ে সে যেমন স্বাধীন মানুষ ও রাজনৈতিক নেতার মর্যাদা ভোগ করেছে, সে পরিচয়ে তার মৃত্যু ঘটেনি।
প্রসঙ্গত, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দল জামায়াতের তখনকার আমির গোলাম আযমকে। রায় দেওয়ার সময় বিচারক বলেছিলেন, আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি পাওনা হলেও বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে ৯০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হল। সাজা ভোগের এক বছর তিন মাসের মাথায় ৯২ বছর বয়সে মারা যান গোলাম আযম।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, জিয়াউর রহমান তাকে (গোলাম আযম) দেশে ফিরে আসার ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব গ্রহণের সুযোগ দিয়েছিল, যে দেশের নিরীহ বেসামরিক মানুষকে সে পাকিস্তানের পক্ষে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও দল তাকে দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিচারের মুখোমুখি করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের সময় পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন গোলাম আযম। পরে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ফিরে পান জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা।