হোম ইকোনোমিকস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বোধন করেন এবং এর প্রকাশিত স্বারকের প্রথম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন। এ উপলক্ষে হোম ইকোনোমিকস কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দেরিতে হলেও হোম ইকোনোমিকস শিক্ষার একটি সংগঠন হয়েছে। আশা করি, এই সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে হোম ইকোনোমিকস শিক্ষা আরো বেশি প্রসারিত হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেন, নারীর প্রবল ইচ্ছাশক্তির ফলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। তিনি বলেন, প্রবল ইচ্ছাশক্তির বলে খাদ্যে স্বয়ংম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। দেশটি এরই মধ্যে কৃষিতে বিপ্লব করেছে। স্বাস্থ্যেও অনেক উন্নতি সাধন করেছে। এ সবই হয়েছে তাদের প্রবল ইচ্ছাশক্তির ফলে। এ ধরনের মনোবাসনার ফলে দেশটি আরেকটি বিপ্লবে উত্সাহিত হবে, আর সেটা হলো শিক্ষা বিপ্লব। তিনি বলেন, শিক্ষা বিপ্লব করতে পারলেই বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা এ দেশটিকে মধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত করতে পারবে। তিনি বলেন আমি আশা করছি— বাংলাদেশ সরকার ভালো ও মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দেবে এবং শিক্ষকদের ভালো মজুরি ও সুবিধা দেবে, যাতে তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভালো শিক্ষা দিতে পারেন। উপস্থিতদের উদ্দেশ তিনি বলেন, যারা এখানে এসেছেন, আমার বিশ্বাস সবার হোম ইকোনোমিকস শিক্ষার ব্যাপারে ইচ্ছাশক্তি প্রবল, হোম ইকোনোমিকসের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন, এ জন্যই এ সংগঠনে তারা সদস্য হয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে হোম ইকোনোমিকস শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে।
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোম ইকোনোমিকস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন নাসিম ফেরদৌস, জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ফাতিমা সুরাইয়া এবং হোম ইকোনোমিকস কলেজের অধ্যক্ষ শামসুন্নাহার, ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল প্রমুখ। ১৯৬১ সাল থেকে যাত্রা শুরু করেছে হোম ইকোনমিকস কলেজ।
