পুঁজিবাজারে সূচক বৃদ্ধির একদিন পরই বড় ধরনের পতন হয়েছে। তালিকাভুক্ত কিছু কোম্পানির আয় প্রত্যাশিত না হওয়ায় সূচকের পতন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে। দর পতনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল আইটি, জীবন বিমা এবং বিবিধ খাত। আইটি খাতের দাম কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ ভাগ। আর জীবন বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর দর কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, কিছু কোম্পানির হতাশাজনক আয় বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এতে বাজারে বিক্রয় চাপ বেড়েছে। বেড়েছে লেনদেন। তবে লেনদেনে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে প্রথম লেনদেন হওয়া ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। এ কোম্পানি ঘিরে লেনদেন হয়েছে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ শতাংশ। আর দাম বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। অন্য দিকে, বাজারে সূচক কমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছে আইটি খাত। ডেফোডিল কম্পিউটার, অগ্নি সিস্টেমস এবং ইনটেক অনলাইনের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় এ কোম্পানিগুলোর দাম অনেক কমেছে। ডেফোডিল কম্পিউটারের দাম কমেছে সাড়ে ২৩ শতাংশ। অগ্নি সিস্টেমসের দাম কমেছে ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। আর ইনটেক অনলাইনের দাম কমেছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৩১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৩২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭১টির, কমেছে ২০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৫৬ কমে ১৫ হাজার ৭০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার। লেনদেনকৃত ২১৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ১৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টি কোম্পানির শেয়ারের।
