জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। রবিবার এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, রায়ে আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যারা হিংস্র বিরোধিতা করেছিল এত দিনেও বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি দিতে পারিনি। এখন আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে আজকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করে দোষী সাব্যস্তের মাধ্যমে তাদের শাস্তি দিতে পারছি— এটা হচ্ছে আমাদের বিরাট প্রাপ্তি। আইনমন্ত্রী বলেন, সত্যি সত্যি এ সব পাপীর রায় কার্যকর খুব শিগগিরই হোক, সেই আশায় থাকব।
উচিত সাজা হয়েছে— সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম:
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের চেয়ারম্যান কে এম সফিউল্লাহ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। উচিত সাজা হয়েছে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের সন্তোষ:
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেয়াদ আল মালুম বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি ছিল, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।
প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ বলেন, চট্টগ্রামের ডালিম হোটেলে যে নির্যাতন ক্যাম্প ছিল, তার পরিচালক ছিলেন মীর কাসেম আলী। এ রায়ের মাধ্যমে সারা দেশের অন্যান্য এলাকায় যে সব নির্যাতন ক্যাম্প ছিল, তার চিত্রও ফুটে উঠেছে।
