শিগগিরই ১০ হাজার নার্স নিয়োগ হবে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৪, ০০:৪৪

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, দুই দফায় ৬ হাজার ৬৪০ জন চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শিগগিরই দশ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চিকিত্সকদের জন্য যানবাহন, নতুন চিকিত্সা সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নীতকরণ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ও সরকারি হাসপাতালগুলোতে নতুন চিকিত্সা সরঞ্জাম প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, দেশের মানুষ উন্নয়ন ও শান্তি চায়। এই হরতালে জনগণের কোন সমর্থন নেই। নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেছি, যানবাহন চলাচল করছে ও জনজীবন স্বাভাবিক। দেশের মানুষ জঙ্গিবাদ, দারিদ্র্যমুক্ত ও অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ দেখতে চায়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে কোন ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলা সহ্য করা হবে না। অনেক চিকিত্সক কর্মস্থলে উপস্থিত থাকছেন না বলে রিপোর্ট রয়েছে। এ ধরনের চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে শোকজ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার চিকিত্সা সেবা মনিটরিং ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চিকিত্সকদের জন্য নতুন গাড়ি কেনা হবে। ১০০টি নতুন এক্স-রে মেশিনসহ প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জামও কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হকের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ড. সরফরাজ খান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, শামসুল হক চৌধুরী এমপি, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি, নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, দিদারুল আলম চৌধুরী এমপি, ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক ডা. আলাউদ্দিন প্রমুখ। সভায় চট্টগ্রামের ১১টি জেলার মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ সময় মন্ত্রী সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন। এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নবর্নিমিত অপেক্ষাগার ও কার্ডিওলজি ব্লকের উদ্বোধন করেন।