লিবিয়ার সর্বোচ্চ আদালত বৃহস্পতিবার দেশের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া নির্বাচিত পার্লামেন্টকে বাতিল ঘোষণা করেছে। এতে করে সহিংসতা-কবলিত দেশটির রাজনৈতিক সংকট আরো ঘনীভূত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র একজন সংবাদদাতা জানান, আদালতের এ রায় আপিলযোগ্য নয়। রায়ের পর রাজধানী ত্রিপোলিতে গুলিবর্ষণ করে উল্লাস প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, গত আগস্ট থেকে ত্রিপোলি ইসলামপন্থীদের নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়াদের দখলে রয়েছে।
এ রায় মিশর সীমান্তের কাছাকাছি প্রত্যন্ত পূর্বাঞ্চলীয় তবরুক শহরে কোনঠাসা হয়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল-থানির সরকারের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করেছে। লিবিয়ার তিনটি প্রধান নগরীর ওপর আবদুল্লাহ আল-থানি সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
লিবিয়ার একজন আইন প্রণেতা গত জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের সাংবিধানিকতা প্রশ্নে আদালতের রায় চেয়ে একটি আবেদন করেন। জুনের নির্বাচনই লিবিয়ার বর্তমানে বিরাজমান দু’টি প্রশাসনের একটি আবদুল্লাহ আল-থানির সরকারকে বৈধতা দেয়।
আইন প্রণেতা আবদুর রউফ আল-মানাই যুক্তি দেখান যে, রাজধানী ত্রিপোলি বা দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী বেনগাজিতে অবস্থিত না হওয়া বিদ্যমান আইন পরিষদ সংবিধানের লঙ্ঘন। উল্লেখ্য, ইসলামপন্থী অন্যান্য আইন প্রণেতার সঙ্গে আল-মানাইও তবরুকে পার্লামেন্ট অধিবেশনসমূহ বর্জন করে আসছেন।
তিনি আরো যুক্তি দেখান যে, মিলিশিয়ারা ত্রিপোলি দখল করে নেয়ার পর বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ চেয়ে পার্লামেন্ট তার কর্তৃত্ব বহির্ভূত কাজ করেছে।
