এমন আনন্দের খবর নিয়ে মাতৃভূমিতে ফেরার অনুভূতিই অন্যরকম

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৪, ০১:১৮

‘এমন একটি আনন্দের সংবাদ দেশবাসীকে দিতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। আমি আমার পরিবার, বন্ধু, সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যারা আমাকে নিয়ে ভালোভাবে লিখেছেন তাদের কথা স্মরণ করছি। এমন একটি আনন্দের খবর নিয়ে মাতৃভূমিতে ফেরার অনুভূতিই অন্যরকম’

ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পাওয়ার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাসে এভাবেই নিজের অনুভূতি জানান ওয়াসফিয়া। একইসঙ্গে তিনি তাকে ভোট করারও আহবান জানান।
এভারেস্ট জয়ী দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন। দুঃসাহসী অভিযানের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে নিজের অঙ্গীকার ও কর্মতত্পরতার জন্য ওয়াসফিয়াকে ২০১৪ সালের অন্যতম বর্ষসেরা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ওয়াসফিয়া প্রসঙ্গে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের এই নারী মানবাধিকারকর্মী তার দেশের নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য পৃথিবীর ৭টি মহাদেশের সর্বোচ্চ ৭টি পর্বতশৃঙ্গ (সেভেন সামিট) আরোহণ করেছেন।’
শুক্রবার ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ওয়েবসাইটে বর্ষসেরা অভিযাত্রীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে ১০ জনকে বর্ষসেরা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি। 
২০১২ সালের ৯ জুন দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট চূড়ায় উঠেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। এর আগে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন নিশাত মজুমদার।
২০১১ সালের ২ অক্টোবর তিনি আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত কিলিমানজারো এবং ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বত অ্যাকোনকাগুয়া জয় করেন। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বত এলবার্সের চূড়ার ৩০০ মিটার নিচে থেকে খারাপ আবহাওয়ার জন্য ফিরে আসেন ওয়াসফিয়া।

এছাড়া তিনি ২০০৯ সালে নেপালের লু রী পর্বত, ২০১০ সালে আইল্যান্ড পিক জয় করেন। ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয় করেন। রাশিয়ার স্থানীয় সময় সকাল সাতটা ৫১ মিনিটে তিনি এলব্রুস চূড়ায় আরোহণ করে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান।