সিরিয়ায় গত দুই সপ্তাহের মধ্যে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের পক্ষে যুদ্ধ করার সময় তৃতীয় অস্ট্রেলীয় নাগরিক নিহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সান হেরাল্ড পত্রিকার খবরে রবিবার বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তি সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে সিরিয়ায় যান। তিনি বিবাহিত ও সন্তানের জনক। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তর খবরের সত্যতা জানার চেষ্টা করছে। তবে এটা খুবই কঠিন কাজ বলেও পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, অত্যন্ত বিপজ্জনক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সিরিয়া ও ইরাকে কনস্যুলার সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না।
এর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে আফগান বংশোদ্ভুত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক মোহাম্মাদ আলী বারালি সিরিয়ায় নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। তিনি আইএসে নিয়োগ পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন।
হেরাল্ডের খবরে আরো বলা হয়, বারালির সঙ্গে সিডনি থেকে সিরিয়ায় যাওয়া আইএসের আরেক যোদ্ধা আবু নুর আল-কুর্দিও নিহত হয়েছে।
ইরাকের মসুল নগরীর কাছে শনিবার মার্কিন বিমান হামলায় আইএস প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদি নিহত হওয়ার দাবি করার পর হেরাল্ড এ খবর দিল। তবে বাগদাদি নিহত হওয়ার খবর যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেনি।
বিদেশী যোদ্ধারা অবাধে মধ্যপ্রাচ্যে ঢুকে যেতে পারে এমন আশংকায় অস্ট্রেলিয়া গত অক্টোবরে সন্ত্রাসের জনপদগুলোতে ভ্রমণ রোধ সংক্রান্ত একটি আইন পাস করে।
সরকার জানায়, অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৭০ নাগরিক ইতোমধ্যে ওইসব স্থানে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর প্রায় ১শ’ জন অস্ট্রেলিয়া থেকে যোদ্ধা নিয়োগ ও তহবিল গঠনে আইএসকে সহায়তা করছে।
জিহাদিদের পক্ষে যুদ্ধ করা প্রায় ২০ জন পুনরায় অস্ট্রেলিয়া ফিরে এসেছে। এছাড়া আইএসে যোগদান ঠেকাতে ৭০ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।
দুই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ১৫ জন সিরিয়া ও ইরাকে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এএফপি
