ভারতীয় গোয়েন্দারা বাংলাদেশে আসছে

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০১৪, ২২:৩৮




বাংলাদেশের সরকার নিশ্চিত করেছে, জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে ভারতের গোয়েন্দারা বাংলাদেশে আসতে চেয়েছেন এবং তাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছ। খবর বিবিসির।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিবিসিকে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনায় বাংলাদেশের কেউ জড়িত আছে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ'র একটি দল যে কোনো সময় বাংলাদেশে আসবে।

বিস্ফোরণের ঘটনার ব্যাপারে দেশটির একটি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ তদন্ত করছে এক মাসের বেশি সময় ধরে।

এখন এই এনআইএর উচ্চ পর্যায়ের একটি দল তাদের তদন্তের অংশ হিসেবে ঢাকায় আসতে চাইলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার তাদের অনুমতি দিয়েছে।

   ভারত একটা সংক্ষিপ্ত নোট পাঠিয়েছে। তাতে তারা শুধু ঘটনাটি নিয়ে তাদের তদন্ত দলের আলোচনা করার কথা বলেছে। ফলে তাদের সাথে আলোচনায় বিস্তারিত জানার পর সে অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যবস্থা নেবে

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, জঙ্গি তৎপরতায় বাংলাদেশের কেউ জড়িত আছে কিনা সে ব্যাপারেই মূলত ভারতীয় তদন্ত দল তথ্য চাইতে পারে।

সেই আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কিছু বিষয়ে তথ্য চাওয়া হবে।

ভারতের বর্ধমান বিস্ফোরণের তদন্তে যে জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে, দেশটির তদন্তকারীরা বাংলাদেশের মাটিতে সেই জঙ্গি গোষ্ঠীর বড় ধরণের হামলা চালানোর ক্ষমতা আছে কিনা, সেটা নিয়েই এখন সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে।

যদিও এতদিন সংবাদ মাধ্যমে নানা ধরণের খবর প্রকাশ হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, বিষয়টিতে বাংলাদেশের সরকার এখনো অস্পষ্টতার মধ্যে রয়েছে।

কারণ ভারতের পক্ষ থেকে বিস্তারিত বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।

তিনি বলছিলেন, “ভারত একটা সংক্ষিপ্ত নোট পাঠিয়েছে। তাতে তারা শুধু ঘটনাটি নিয়ে তাদের তদন্ত দলের আলোচনা করার কথা বলেছে। ফলে তাদের সাথে আলোচনায় বিস্তারিত জানার পর সে অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যবস্থা নেবে।”

ঘটনা নিয়ে ভারত সংক্ষিপ্তভাবে যা জানিয়েছে, তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং জঙ্গি বিরোধী অভিযান বাড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশের নিজেদের তদন্তের প্রয়োজন আছে কিনা অথবা যৌথভাবে তদন্ত করতে হবে কিনা , সেটা বাংলাদেশ ঠিক করবে ভারতের তদন্তের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে ।

তিনি আরও বলেছেন, “বাংলাদেশ অন্য কোন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। আমরা বিশ্বাস করি, ভারতও তা করে না।”

মন্ত্রী এটাও উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ এখনও নিজেরা তদন্ত না করলেও জঙ্গিদের বিষয়ে গোয়েন্দারা আরও তথ্য সংগ্রহ করেছে।