কিবরিয়া হত্যা: হারিস চৌধুরী, মেয়র আরিফসহ আসামি ৩৫

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৪, ২২:২৭
 
বিএনপি নেতা হারিস চৌধুরী, সিলেট মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি। 
বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশীট জমা দেন। 

চার্জশীটে নতুন ১১ জনকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
তারা হচ্ছে- সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছ, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা হারিছ চৌধুরী, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি তাজ উদ্দিন, মুফতি সফিকুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, বদরুল, মহিবুর রহমান, কাজল আহমেদ, হাফেজ ইয়াহিয়া। একই সাথে আগের চার্জশীটভূক্ত ইউসুফ বিন শরীফ, আবু বক্কর আব্দুল করিম ও মরহুম আহছান উল্লাহকে চার্জশীট থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।
এর আগে এ মামলায় ২০০৫ সালে চার্জশিট ও ২০১১ সালে একবার সম্পূরক চার্জশিট দেয়ার পর বাদীপক্ষ না-রাজি দিয়ে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিতে আদালতে আবেদন করেন।
বর্তমানে তৃতীয় দফায় মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশের বিশেষ অপরাধ বিভাগ সিআইডি।
সর্বশেষ দ্বিতীয় দফায় এ মামলার চার্জশিট দেয়া হয় ২০১১ সালের ২০ জুন। আদালতের নির্দেশের পর ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ফের মামলাটির পুনঃতদন্ত শুরু হয়।
হত্যাকান্ডের ৯ বছর পর তৃতীয় দফায় তদন্ত শেষে চার্জশিট জমা দেয়া হলো।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে গাড়িতে ওঠার সময় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী ছিদ্দিক আলী, আবদুর রহিম ও আবুল হোসেন।
এছাড়া হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি, এডভোকেট আবদুল আহাদ ফারুক, আবদুল্লাহ সর্দারসহ আহত হন ৭০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।
এ ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন।