ইসলামী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৪, ২২:১৫
 
আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইবিবিএল) ডিএমডিসহ ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত দুদক কার্যলয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিএমডি (করপোরেট ইনভেস্টমেন্ট উইং) ইঞ্জিনিয়ার মো. আবুল বাশার, হেড অব ফরেন এক্সচেঞ্জ মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ভিপি মো. আবু সুফিয়ান, এভিপি মো. মনির হোসেন, এসপিও আহমেদ আলী ও পিও একেএম বোরহান উদ্দিন।
দুদক সূত্র জানায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে জাহাজ রপ্তানির নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আমলে নিয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এ সব ঋণ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এ সব জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে।
দুদক সূত্র আরও জানায়, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (কারওয়ানবাজার শাখা), এবি ব্যাংক লিমিটেড (কারওয়ানবাজার শাখা), মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড (ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট শাখা), ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড (মতিঝিল শাখা), জনতা ব্যাংক লিমিটেড (লোকাল অফিস), এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (প্রধান শাখা) প্রধানদের কাছ থেকে আনন্দ শিপইয়ার্ডের নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিএফআইএল), বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসিএল), ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এফএফআইএল), আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এনএইচএফয়াইএল), হজ ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (এইচএফসিএল) ও প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের (পিএলএফএল)-এর কাছে আনন্দ শিপইয়ার্ডের নেওয়া ঋনের সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক।