ইবোলা প্রতিরোধে দাতব্য চিকিৎসা সংগঠন ‘মেডিসিনস সানস ফ্রন্টিয়েরেস’ (এমএসএফ) তিনটি চিকিৎসা কেন্দ্রে আলাদা তিনটি পন্থায় গবেষণা চালাতে যাচ্ছে। আগামী মাস থেকে গিনি এবং অন্য একটি স্থানে দুইটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ছাড়াও অন্যান্য পন্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষামূলক ওষুধ দুইটি বানিয়েছে গ্লাক্সোস্মিথলাইন (জিএসকে) এবং কানাডার একটি পাবলিক হেল্থ এজেন্সি। উল্লেখ্য, জিএসকের ভ্যাকসিনটি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা মালিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। কানাডার ভ্যাকসিনটিও পরীক্ষার তালিকায় থাকছে।
এছাড়া, সুস্থ হয়ে ওঠা ইবোলা রোগীদের রক্ত দিয়ে অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা করা হবে গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে এ পরীক্ষার প্রাথমিক ফল পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।
উল্লেখ্য যে, এখন পর্যন্ত ১৪ হাজারের বেশি মানুষ ইবোলা আক্রান্ত হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই পশ্চিম আফ্রিকার অধিবাসী। আর এ ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫১৬০ জন।
