একসঙ্গে ফ্রেমবন্দী হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ও খাটো ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার লন্ডনে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দিবসের ১০ম বার্ষিকীতে ফ্রেমবন্দী হন তারা।
বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি তুরস্কের সুলতান কোসেনের (৩১)উচ্চতা ৮ ফুট ৯ ইঞ্চি (২.৫১ মিটার)। অন্যদিকে সবচেয়ে খাটোর স্বীকৃতি পাওয়া নেপালের চন্দ্র বাহাদুর ডাঙ্গির (৭৪) উচ্চতা সাড়ে ২১ ইঞ্চি (২.৫১ মিটার)।
প্রথমবারের মতো সাক্ষাতে করমর্দন করেন কোসেন-চন্দ্র বাহাদুর। তবে করমর্দন করতে গিয়ে বেশ কসরত করতে হয় তাদের। হাউজ অব পার্লামেন্টের সামনে কোসেন নিচের দিকে ঝুঁকে চন্দ্র বাহাদুরের সঙ্গে করমর্দন করেন। এসময় এক সঙ্গে ক্যামেরাবন্দী হন তারা।
IMG0
এএফপিকে কোসেন বলেছেন, আমি তার উচ্চতা নিয়ে আগ্রহী ছিলাম। আমি ভাবতাম তিনি আমার পায়ের কতটা নিচে থাকবে। যখন আমি তাকে দেখলাম বুঝতে পারলাম তার উচ্চতা আমার ধারণারও বাইরে।
চন্দ্র বাহাদুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়াকে চমকপ্রদ বলেছেন কোসেন। তবে নিচের দিকে ঝুঁকে ছবি তোলাটা ছিল তার জন্য কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার হাঁটুতে সমস্যা রয়েছে। বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে আমি কান্ত হয়ে পড়ি।
কোসেন আরো বলেন,যদিও সে খুব খাটো আর আমি লম্বা, বেঁচে থাকার জন্য আমাদের দুজনকেই কিন্তু একই রকম সংগ্রাম করতে হয়েছে। তার চোখের দিকে তাকিয়েই আমি বুঝেছি তিনি খুব চমৎকার মানুষ।
কোসেন শুধু লম্বার দিক দিয়েই সেরা নন, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হাতের রেকর্ডখানিও তার দখলে। কব্জি থেকে মধ্যমাঙ্গুলি পর্যন্ত তার হাতের দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ ইঞ্চি।
IMG1
অন্যদিকে কোসেনকে দেখে দারুণ খুশি দানগি। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষটিকে দেখে আমি খুব অভিভূত। আমি আমার বিপরীত দৈর্ঘ্যরে ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে উৎসুক ছিলাম।
তিনি আরো বলেন, গিনেস রেকর্ডে নাম ওঠাতে পেরেও আমি সন্তুষ্ট। এ কারণেই আমি অনেক দেশ ঘুরে বেড়ানো সুযোগ পেয়েছি ও মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি। আমি এটা পছন্দ করি। সূত্র: এএফপি।
