প্রতিদিনের মতো রুটিং রাউন্ড দিচ্ছিলেন মর্গের এক কর্মী। হঠাত্ লাশ রাখা একটা ড্রয়ার থেকে ভেসে এল শব্দ। ভয়ে গলা শুকিয়ে গেল ওই কর্মীর। তিনি অন্যদের ডেকে আনলেন। শব্দ শুনে ভয়ে তাদেরও শিরদাঁড়া শিরশির করতে লাগল। যে ড্রয়ার থেকে শব্দ আসছে সেদিকে এগিয়ে গেলেন তারা। এরপর ড্রয়ারটি টেনে খুললেন। সবাই অবাক হয়ে দেখলেন, সেই ড্রয়ারে রাখা ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার লাশটি উঠে বসল। এরপর তার অভিযোগ, উফ, কি ঠান্ডা!
এই ঘটনা ঘটেছেন পোলান্ডের একটি মর্গে। চিকিত্সকরা মৃত ঘোষণার পর লাশ মর্গে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। তার ১১ ঘন্টা পর এই কান্ড ঘটে। যে চিকিত্সকরা ওই বৃদ্ধার ডেথ সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, তারাও বুঝতে পারছেন না কি থেকে কি হয়ে গেল। তাদের একজন বলেন, ‘আমি জানি না কী ভাবে এটা সম্ভব; আমি এখনও কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। আমরা যখন পরীক্ষা করি তখন কোনও পালস ছিল না। জীবনের কোনও চিহ্নই ছিল না তার মধ্যে।’
খবর পেয়ে ছুটে আসে তার স্বজনরা। এরপর তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখন একদম সুস্থ। বৃদ্ধার নাতনী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বাড়ি ফিরেও বুড়ি বলেছেন, মর্গের মধ্যে বেজায় ঠান্ডা’! -জি নিউজ
