ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর আরো সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরি মায়োডন। তবে তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং কার্যকর জবাবদিহিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পোশাক খাতে ফ্যাশন এবং ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গতকাল তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর একটি হোটেলে যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করেছে ইইউ এবং নিট পোশাক উত্পাদন ও রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিকেএমইএ।
নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ সাল নাগাদ যদি বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়, তাহলে ইউরোপের বিদ্যমান শুল্ক মুক্ত বা জিএসপি সুবিধা আর থাকবে না। ‘জিএসপি’ প্লাস নামে নতুন সুবিধা পেতে আবেদন করতে হবে তখন। তবে এই সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পেতে অনেক শর্ত পূরণ করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য জিএসপিপ্লাস পাওয়া খুব সহজ হবে না। পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি (ইইউ গ্লোবাল সাসটেনেবিলিটি কমপেক্ট) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সহসাই এর দ্বিতীয় দফা অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। কর্মশালায় পোশাক খাতের ওপর পৃথক তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেদারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক এ্যাপারেল ফাউন্ডেশনের (আইএএফ) প্রতিনিধি ম্যাথিজ ত্রিক্রয়েটি, বিজনেস ইনিসিয়েটিভ লিডিং বাংলাদেশের (বিল্ড) প্রধান নির্বাহী ফেরদৌস আরা বেগম, বিকেএমইএর সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ। বিকেএমইএর সহ-সভাপতি আসলাম সানিসহ অন্য পরিচালকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
