“অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে?”

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৪, ১১:৩০


বাংলাদেশের মানুষ এমনিতেই বহু যুদ্ধ ও যুদ্ধাবস্থার মধ্য দিয়ে দিন কাটিয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাম সন্ত্রাস, তারপর এই সেদিনের জামায়াতি ও হেফাজতি সন্ত্রাস বাংলাদেশকে একটা কীলিং ফিল্ডে পরিণত করেছিল। বাংলাদেশের মানুষতো সেই নবাবি আমল থেকে “খোকা ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো বর্গি এলো দেশে” এই গান শুনতে শুনতে জীবন কাটায়; তাদের আর যুদ্ধের ভয় দেখিয়ে লাভ কি? যুদ্ধতো আমেরিকার কৃপায় এখন সারা বিশ্ব জুড়েই চলছে। তার উত্তাপও কি সময় সময় বাংলাদেশের মানুষের গায়ে এসে ছ্যাঁকা দিচ্ছে না?
কিন্তু যে যুদ্ধের কথা আমি লিখতে যাচ্ছি তা সাধারণ যুদ্ধ, সন্ত্রাস ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা নয়। একটি পরমাণু যুদ্ধ, যে যুদ্ধে সারা মানব সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। শুধু যে আক্রান্তই ধ্বংস হবে তা নয়, আক্রমণকারীও ধ্বংস হয়ে যাবে। এমন একটি পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা এখনই আমরা অনেকে করছি না। কিন্তু এই আশঙ্কা করছেন আমেরিকার বিখ্যাত দার্শনিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি। তিনি বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “বিশ্ব এর আগে আর কখনোই বিপজ্জনকভাবে পরমাণু যুদ্ধের এতো কাছে চলে আসেনি। রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলো আরেকটি কোল্ড ওয়ার বা শীতল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় এ যুদ্ধ যেকোনো সময় বেঁধে যেতে পারে।”
রাশিয়ার একটি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে চমস্কি এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, “নাটো যে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল তা বদলে গেছে। বিশ্বের শক্তিগুলোর মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার বদলে ন্যাটো এখন পশ্চিমা শক্তির পক্ষে জ্বালানি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ দখলে রাখতে চাচ্ছে। তা থেকে এখন যে যুদ্ধের আগুন জ্বলছে, তা যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। এই পরমাণু যুদ্ধের এতো কাছাকাছি এর আগে বিশ্ব আর কখনো আসেনি। এবং যারা এই যুদ্ধ শুরু করবে তারাও সকলে এই যুদ্ধে ধ্বংস হয়ে যাবে।”
এই দার্শনিকের সময়োচিত সতর্কবাণীতে বিশ্বের আণবিক শক্তিধর দেশগুলো কতোটুকু কর্ণপাত করবে তার সম্ভাবনা খুব কম। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বি, নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্ব”। মানব সভ্যতার অগ্রগতি এ দ্বন্দ্ব মেটাতে পারেনি। মানুষ যতো সভ্য হয়েছে, তার মধ্যে আত্মবিনাশী বর্বরতাও বেড়েছে। নইলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কুড়ি বছর না কাটতেই আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ হতে পারতো না। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে আটলান্টিক মহাসাগরে এক জাহাজে বসে তখনকার বিশ্বশক্তির নেতা চার্চিল এবং রুজভেল্ট একটি চার্টারে সই করেছিলেন। তার নাম আটলান্টিক চার্টার। এই চার্টারে বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় বিশ্ববাসীকে আশ্বাস দেয়া হয়েছিল।
এই আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি যে কতো ঠুনকো ছিল তা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ-পরবর্তী ইঙ্গ-মার্কিন পরাশক্তির সাম্রাজ্যবাদী কার্যকলাপে প্রমাণ হয়ে যায়। তথাকথিত ‘স্বাধীন বিশ্বকে’ (Free world) রক্ষা এবং কম্যুনিজম ঠেকানোর নামে যে স্নায়ুযুদ্ধ এবং সেইসঙ্গে আঞ্চলিক যুদ্ধগুলোর সূত্রপাত করা হয় তা বিশ্বে কখনো শান্তি ও সমৃদ্ধিকে স্থায়ী হতে দেয়নি। যতোদিন আমেরিকার হাতে একতরফা পরমাণু অস্ত্র ছিল, ততোদিন তা একতরফা ব্যবহারে আমেরিকা কোনো দ্বিধা ও বিবেকপীড়া দেখায়নি। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষদিকে জাপান আত্মসমর্পণে প্রস্তুত তা জেনেও হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বর্বর পরমাণু হামলা চালানো হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী হিটলারও এ ধরনের বর্বরতার পরিচয় দেয়নি।
কোরিয়া যুদ্ধের সময়েও আমেরিকার হাতে এককভাবে পরমাণু বোমা থাকায় তত্কালীন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান তা ব্যবহারের হুমকি দিয়েছিলেন। এই কোরিয়া যুদ্ধেই জাতিসঙ্ঘের অনুমতি না নিয়ে তার পতাকা আমেরিকা ব্যবহার করেছিল। তারপরও পরাজয়ের সম্ভাবনা থেকে মুক্ত হয়নি। এই পরাজয় সম্ভাবনার মুখেই প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছিলেন। যদি পানমুনজন বৈঠকে যুদ্ধ বিরতি না ঘটতো তাহলে আমেরিকা হয়তো জাপানের মতো কোরিয়াতেও পরমাণু হামলা চালাতো।
যতোদিন সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়ন পরমাণু শক্তির অধিকারী হয়নি, ততোদিন বিশ্ব আমেরিকার একক পরমাণু হামলার ভয়াবহ হুমকির মধ্যে বসবাস করেছে। সোভিয়েট ইউনিয়ন এই অস্ত্রের অধিকারী হতেই আমেরিকার হুমকি-ধমকি হ্রাস পায় এবং বিশ্বে দুই সুপার পাওয়ারের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য তৈরি হওয়ায় পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। তথাপি প্রেসিডেন্ট কেনেডির আমলে কিউবা সঙ্কটের সময় মনে হয়েছিল আমেরিকা ও সোভিয়েট ইউনিয়নের মধ্যে একটি পরমাণু যুদ্ধ আসন্ন, এই যুদ্ধে বিশ্ব ধ্বংসের আশঙ্কায় বার্ট্রান্ড রাসেল থেকে শুরু করে বিশ্বের তাবত্ মনীষী দুই সুপার পাওয়ারের নেতা কেনেডি ও ক্রুশ্চভের কাছে মানব সভ্যতা রক্ষার আকুল আবেদন জানিয়েছিলেন। সেবারেও পরমাণু যুদ্ধের খুব কাছাকাছি এসে সেই যুদ্ধ থেকে বিশ্ব রক্ষা পেয়েছিল।
সুপার পাওয়ার হিসেবে সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর আমেরিকা একক পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং মনে করা হয়েছিল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা সম্ভবত আর নেই। কিন্তু এই আশাবাদ এখন মানুষের মন থেকে ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে। আমেরিকায় জর্জ বুশ জুনিয়রের প্রেসিডেন্টগিরির আমলে ‘নিউকন’ নামক যে নব্যফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী ক্ষমতায় বসে তারা হিটলারের ‘মেইন ক্যাম্পের’ মতো তৈরি করে ‘নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার।’ এই অর্ডারের মূল কথা বিশ্বে আমেরিকার নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা। এবং যে কেউ এই আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করবে, তাকে ধ্বংস করার একক অধিকার আমেরিকার। এই ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘের এখতিয়ারও অগ্রাহ্য করা হয়।
বিশ্বে এই নিরঙ্কুশ আধিপত্য স্থায়ী করার জন্য আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদ ও জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর অবাধ দখলদারিত্ব চায়। এই লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন জ্বালানো হয়েছে। ইরাকের সাদ্দাম ও লিবিয়ার গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়েছে। কম্যুনিজমকে নিধনের জন্য আমেরিকা যে ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরি করেছিল, এখন কম্যুনিজমের অনুপস্থিতিতে তাদেরই প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়ে ‘ওয়ার এগেইন্স্ট টেরোরিজমের’ নামে আমেরিকা পাকিস্তানসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
আমেরিকা এই যুদ্ধে জয়ী না হওয়া সত্ত্বেও সর্বত্র যুদ্ধ জিইয়ে রাখতে চায়। বিশ্বের সর্বত্র পুলিশি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম এখন ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দার মুখে। এই মন্দা ত্রিশের মন্দার চাইতেও ব্যাপক। একমাত্র যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণ এবং তা বিক্রির মুনাফা দ্বারা আমেরিকা তার অর্থনীতিকে মন্দা থেকে রক্ষা করতে চায়। যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির জন্যই মার্কেট দরকার। যুদ্ধের বিস্তার দ্বারাই আমেরিকা এবং গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম শেষ বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে চায়।
আমেরিকা পরমাণু অস্ত্র এখনো ব্যবহার করেনি। কিন্তু ওই অস্ত্রের অনুরূপ নিত্য নতুন মারণাস্ত্র তৈরি করছে এবং অস্ত্রগুলোর ব্যবহার উপযোগিতার পরীক্ষা এশিয়া ও আফ্রিকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালাচ্ছে। এই মারণাস্ত্রগুলোর মধ্যে ড্রোন একটি। সভ্যতাগর্বী আমেরিকা ভিয়েতনামে নাপাম বোমা বর্ষণে দ্বিধা করেনি। বর্তমানে ইরাকে, আফগানিস্তানে, সিরিয়ায় এবং পাকিস্তানেও এই বর্বর ড্রোন হামলা চালিয়ে শ’য়ে শ’য়ে সিভিলিয়ান হত্যায় দ্বিধা করছে না। যদি এসব যুদ্ধে আমেরিকা পেরে না ওঠে, তাহলে শেষ অস্ত্র হিসেবে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারে দ্বিধা করবে না বলেই নোয়াম চমস্কির মতো আরও অনেক দার্শনিক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের ধারণা।
বিশ্ব আগের যেকোনো সময়ের চাইতে অনেক বেশি পরমাণু যুদ্ধের নিকটবর্তী বলে নোয়াম চমস্কি যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন, তা তিনি বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই করেছেন। সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর কোল্ডওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের অবসান হয়েছিল। আমেরিকা তার পুনরুজ্জীবন ঘটিয়েছে। চীন ও ভারতের মধ্যে আঞ্চলিক সুপার পাওয়ার হওয়ার প্রতিযোগিতাকে বিবাদে পরিণত করার জন্য ওয়াশিংটনের কূটবুদ্ধি এশিয়ায় একটি নতুন শীতল যুদ্ধের সূচনা করেছে। তারপর ব্রাজিল, চীন, ভারত ও রাশিয়া বিশ্বে আমেরিকার একক আধিপত্যের বিরোধী শিবিররূপে গড়ে ওঠায় গোটা পশ্চিমা জগতই এখন একটি শীতল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ইউক্রেন নিয়ে এই যুদ্ধ বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছিল।
তার ওপর গোটা গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম এখন ত্রিশের অর্থনৈতিক মন্দার চাইতেও ভয়াবহ মন্দার সম্মুখীন। অতীতের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম যখনই অর্থনৈতিক সঙ্কটের সম্মুখীন হয়েছে, তখনই যুদ্ধ বাধিয়েছে। ত্রিশের অর্থনৈতিক মন্দার পর শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ। এবারেও আরও ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা সামাল দিতে না পারলে গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের নেতা আমেরিকা যে ব্যাপকভাবে যুদ্ধে নামতে দ্বিধা করবে না এবং সেই যুদ্ধ শুরু হলে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করা যাবে না। সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন নোয়াম চমস্কি তার সতর্কবাণীতে। বিশ্ব পরিস্থিতির এখন যা ধরন, তাতে কোরিয়া যুদ্ধ বা কিউবা সঙ্কটের সময়ের চাইতেও বিশ্ব যে পরমাণু-যুদ্ধের অনেক কাছাকাছি তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
এই যুদ্ধ যে কোনোভাবে যে কোনো স্থানে শুরু হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে, ইউক্রেনে-কিংবা চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ বা ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইনের আরবদের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল জ্বলে উঠতে পারে। এখনো যে জ্বলে উঠছে না তার কারণ, এই যুদ্ধে যারা প্রথম হামলাকারী হবেন তারাও যে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বাঁচতে পারবেন, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। এখন আমেরিকার হাতে বড় ধরনের পরমাণু অস্ত্র আছে বটে, রাশিয়ার হাতেও আছে। ছোট-বড় অনেক রাষ্ট্রের হাতেই এই অস্ত্র আছে। ভারত, চীন, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের হাতেতো আছেই। ইরানও শীঘ্রই এই অস্ত্রের অধিকারী হবে বলে অনেকে মনে করেন।
এই বিশ্বধ্বংসী পরমাণু যুদ্ধ থেকে মানব সভ্যতাকে বাঁচানো যায় যদি জাতিসঙ্ঘকে অতীতের লীগ অব নেশনসের পরিণতি বরণ করতে না দিয়ে সক্রিয় ও শক্তিশালী করা যায় এবং জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণে পরমাণু অস্ত্র নির্মাণ ও তার বিস্তার রোধ করার জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। আমেরিকাকে যদি তার বিশ্ব পুলিশের ভূমিকা থেকে নিবৃত্ত করা যায় এবং আঞ্চলিক বিবাদগুলো উস্কে না দিয়ে তার শান্তিপূর্ণ সমাধান দ্বারা বিশ্বের ছোট-বড় সকল রাষ্ট্রের সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা যায়। এই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য যে সবল সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন, সেই নেতৃত্ব আজ বিশ্বে কোথায়? বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? নোয়াম চমস্কির মতো মনীষীরা সতর্কবাণী উচ্চারণ করতে পারেন, কিন্তু প্রলয় যদি অত্যাসন্ন হয় তাকে প্রতিরোধ করবে কে বা কারা? দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর যে যুদ্ধবিরোধী শক্তিশালী বিশ্বজনমত ও বিশ্ব শান্তি আন্দোলন গড়ে উঠেছিল সেই জনমত ও আন্দোলনই বা আজ কোথায়?
লন্ডন ১৫ নভেম্বর, শনিবার, ২০১৪