যশোর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, দুই পৌর মেয়রসহ ৪৩ নেতাকে পুলিশের উপর হামলা ও বিস্ফোরক মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তারা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নিতে গেলে বিচারক মারুফ আহম্মদ জামিন না-মঞ্জুর করে তাদের জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জেলহাজতে পাঠানো নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হুদা, সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান তোতন, নগর বিএনপির সভাপতি যশোর পৌরসভার মেয়র মারুফুল ইসলাম, কেশবপুর পৌর মেয়র আবদুস সামাদ বিশ্বাস, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি নূর-উন-নবী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, জেলা যুবদলের সভাপতি এহসানুল হক মুন্না, সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান ধনি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদল নেতা ফারুক হোসেন, আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, যশোর পৌর কাউন্সিলর সালাউদ্দিন, জাগপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন অমিত, চৌগাছা বিএনপির সভাপতি আবদুস সালাম ও সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১ অক্টোবর যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি’র মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে দলীয় নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ এবং অন্তত ১০ জন আহত হন। পুলিশ এ ঘটনায় বিএনপির ১২৬ নেতাকর্মীকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় রবিবার জামিন নেয়ার জন্য আদালতে হাজির হন বিএনপির এই ৪৩ নেতা। আদালতে তারা জামিন চাইলে বিচারক তাদের জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
