উভয় শেয়ারবাজারে সোমবার দরপতন হয়েছে। এ নিয়ে টানা চার কর্মদিবস দর পতন হলো। চার কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক কমেছে প্রায় ৮৮ পয়েন্ট। সূচক কমার সাথে সাথে লেনদেনও কমে গেছে। আজ লেনদেন হয়েছে ৬৯১ কোটি টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ কম।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৯১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬২ কোটি ১ লাখ টাকা কম।
লেনদেনকৃত ৩০৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৮টির, কমেছে ২০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ২০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৭ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২২৫টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৮টির কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ইফাদ অটোস লিমিটেডে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী রবিবার থেকে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন গ্রহণ ২৩ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৭ নভেম্বর। প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
ইফাদ অটোস শেয়ারবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি ব্যবসা সমপ্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।
