ফেলানী হত্যা মামলা: সাক্ষ্য শেষে দেশে ফিরছেন প্রতিনিধি দল

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৪, ১৯:২৪
 
 
 
আলোচিত ফেলানী হত্যা মামলায় ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ সেক্টর সদর দপ্তরে স্থাপিত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম। সোমবার সকাল ১০টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আদালতে কার্যক্রম চলে।  এ সময় হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষ্য শেষে বিএসএফের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ফেলানীর বাবাসহ প্রতিনিধি দলটি কোচবিহার থেকে বাংলাদেশের উদ্দ্যেশে যাত্রা করেছে।
প্রতিনিধি দলের সদস্য কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন মুঠোফোনে এসব তথ্য জানান।
তিনি আরো জানান, ৫ সদস্যের এই আদালতে বিচারক মণ্ডলীর সভাপতিত্ব করেন ডিইজি সিপি ত্রিবেদী। জবানবন্দি গ্রহণ করেন ভারতের ডিফেন্স অফিসার মিস্টার সিন্ধু, তাকে সহযোগীতা করেন এসোসিয়েট অ্যাডভোকেট মি: আনন্দ জ্যোতি মজুমদার। বিএসএফের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেয় ভারতের পিপি বিপিন কুমার। বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মেজর এটিএম হেমায়েতুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এস এম আব্রাহাম লিংকন।
ফেলানী হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং সর্বোনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাক্ষ্য গ্রহনের কার্যক্রম শেষ হওয়ায় বিকাল সাড়ে ৫টায় (ভারতীয় সময়) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলটি কুচবিহার রেষ্ট হাউস থেকে বাংলাদেশের উদ্যোশে রওনা হন। বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থল বন্দরে এসে পৌঁছবেন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে। সেখান থেকে তারা কুড়িগ্রামে আসবেন।