দুদকের ডিজিসহ ৯ জনের তথ্য সংগ্রহ সহসা জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৪, ১০:২৯

মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালকসহ (ডিজি) ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর যাবতীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেছে অনুসন্ধানকারী দল। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অভিযুক্তদের ব্যাপারে সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের এক কর্মকর্তা।
সনদ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে, দুদকের ডিজি কামরুল হাসান মোল্লা, পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়া, পরিচালক আবদুল আজিজ ভূঁইয়া, উপ-পরিচালক ঢালী আবুদস সামাদ, উপ-পরিচালক এস এম গোলাম মাওলা সিদ্দিকী ও সাবেক উপ-পরিচালক রঞ্জন কুমার মজুমদারের বিরুদ্ধে। এছাড়া সহকারী পরিদর্শক আবদুস সোবহান, কোর্ট সহকারী (এএসআই) নুরুল ইসলাম ও ইসহাক ফকিরের বিরুদ্ধেও সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আছে।
দুদক সূত্র জানায়, জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করে এই ৯ জন চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। এদের মধ্যে আইন বিভাগের মহাপরিচালক কামরুল হাসান মোল্লা ও পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়া অসত্য তথ্য প্রদান করে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করেছেন বলে প্রাথমিক প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এছাড়া গোলাম ইয়াহিয়া চাকরির প্রচলিত বয়সসীমা শেষে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দেয়ার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের দেয়া সুবিধা অনুযায়ী এক বছর অতিরিক্ত সময় চাকরি করেছেন। নিজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির এ অভিযোগ গত ২১ অক্টোবর কমিশনের মাসিক সভায় উত্থাপিত হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ২২ অক্টোবর দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধানকারী টিম গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধান টিমের নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী। টিমের আরেক সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম।