আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইবিবিএল) উপ-ব্যবস্থপানা পরিচালকসহ (ডিএমডি) ১২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদক থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে তলবের এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। দুদকের সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী এ নোটিশ করেছেন। নোটিশে আগামী ২৬ ও ২৭ নভেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তাদের দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
২৬ নভেম্বর ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের যে সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। তারা হলেন, ডিএমডি মো. শামসুল হক, ডিএমডি মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক ইপি মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত অফিসার এ টি এম হারুন অর রশিদ চৌধুরী, সাবেক ইভিপি মো. সেতাউর রহমান ও সাবেক ইভিপি সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ। অপর দিকে ২৭ নভেম্বর ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। তারা হলেন, ইভিপি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, এসভিপি ইঞ্জিনিয়ার মঈজ উদ্দিন, ভিপি মো. হাসানাইন আবিদ, সাবেক এভিপি মো. দেলোয়ার হোসেন, এভিপি মাহমুদ হোসেন খান ও সাবেক এসও ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম।
দুদক সূত্র জানায়, জাহাজ রফতানির নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আনন্দ শিপইয়ার্ড দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এ সব ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এ সব জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে। পরবর্তী সময়ে কমিশন তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।
