আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সর্বগ্রাসী ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। অথচ এর জন্য বাংলাদেশ কোনোভাবেই দায়ী নয়। উন্নত দেশগুলো এই ঝুঁকির জন্য দায়ী। এ জন্য তাদের কাছ থেকে দরকষাকষি করে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জলবায়ু বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন।
বাংলাদেশকে নেতৃত্বের আসনে নিয়ে যাবার চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বাপা, ইক্যুইটিবিডিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন। আগামী ১-১০ ডিসেম্বর পেরুর রাজধানী লিমায় ইউনাইটেড ন্যাশনস ফ্রেমওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) ২০তম সম্মেলন কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ) অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্যে জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় মেয়াদের (২০২০ পরবর্তী সময়কালের জন্য) চুক্তি চূড়ান্ত করা, যা প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ২১তম সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হবে।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আগমী লিমা সম্মেলনে বাংলাদেশের শরনার্থীর সংজ্ঞা পরিবর্তন করার জোর দাবি জানানো উচিত হবে। কারণ, ১৯৫০ সালের দিকে সর্বপ্রথম যখন শরানার্থী সম্মেলন হয়েছিল, তখন জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা ছিল না। তাই জলবায়ুর পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তরা শরনার্থীদের মধ্যে পড়ে না।
হাছান মাহমুদ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইলার সময় মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল উন্নত দেশগুলো। অথচ আমরা পরে সেগুলো পাইনি। তারা সব সময় প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে কী করা যায়, লিমা সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলতে হবে।
ইক্যুইটিবিডির প্রধান রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মতিন প্রমুখ।
