৪৩ জন ছাত্রের অপহরণের ঘটনায় মেক্সিকোর রাজধানী ও অন্যান্য শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে ঐসব ছাত্রদের আত্মীয় পরিজন। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তাদের ধারণা ঐ ৪৩ জন ছাত্রকেই হত্যা করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দেশব্যাপী হরতালের ডাক দিয়েছে। এর আগে মেক্সিকো সিটি এয়ার পোর্টের কাছে বিক্ষোভের একটি অংশ থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের দিকে পাথর ও ককটেল নিক্ষেপ করে। তবে পুলিশ বলছে এতে কেউ আহত হয়নি। খবর বিবিসি’র।
বিশাল এই বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি হিসেবে মেক্সিকোর সিটির মেইন স্কোয়াডরে জড়ো হতে শুরু করেছেন বহু মানুষ । শুধু রাজধানী শহর নয় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে আরও অনেকগুলো শহরে। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দোকান পাট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এদিকে এই ছাত্রদের পরিণতি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তাতে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। তারা আশা করছেন হারিয়ে যাওয়া ছাত্ররা ফিরে আসবে।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েটো অবশ্য অভিযোগ করেছেন কিছু কিছু বিক্ষোভকারী দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। তিনি বলেছেন, যা ঘটে গেছে সেটার জন্য দেশ মর্মাহত । তবে শান্তি ও ন্যায়বিচার সামনেই রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন তার দুইবছরে ক্ষমতায় থাকাকালে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দেশটির গুয়েরেরো প্রদেশের ইগুএলার একটি বিক্ষোভে অংশ নেয়ার পর এই ছাত্ররা সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে নিখোঁজ হয়।
