পরাজয়ের বৃত্ত ভেঙে প্রতিক্ষীত জয় পেল বাংলাদেশ

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০১৪, ২১:৩৯




সাকিবের রাজকীয় শতকে ভর করে একদিনের ম্যাচে পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙল বাংলাদেশ। টেস্টে হোয়াইট ওয়াশের পর এবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচেও সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। এই জয়ের ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

 

বাংলাদেশের দেয়া ২৮২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে মাত্র ১৯৪ রানেই শেষ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। শতরানের সুবাদে সাকিব আল হাসান ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। চলতি বছর খেলা আগের ১৩ ওয়ানডের ১২টিতেই হারে বাংলাদেশ, অন্য ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। এসব ম্যাচের প্রায় প্রতিটিতেই জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হতাশ হতে হয় টাইগারদের। অবশেষে সেই বৃত্ত ভাঙলেন সাকিব-মাশরাফিরা। বাংলাদেশের পক্ষে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তজা পেয়েছেন চারটি উইকেট।

শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে স্বার্থক করে তোলেন পানিঙ্গারা ও ছাতারারা। দলীয় ৮ রানের মাথায় তামিম ইকবালকে (৫) বোল্ড আউট করে সাজঘরে ফেরত পাঠান টিনাশে পানিয়াঙ্গারা। দলের ২৬ রানের মাথায় ছাতারার বলে এল্টন চিগুম্বুরার ক্যাচে পরিণত হন এনামুল হক (১২)। দলীয় ৩১ রানের মাথায় ছাতারার বল পুল করতে গিয়ে টাফাজওয়া কামুনগোজির সহজ ক্যাচে পরিণত হন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (১)। কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও একই পথে হাটেন মুমিনুল হক (৩১)। দলীয় ৭০ রানের মাথায় জন নিউম্বুর বলে বোল্ড হয়ে হন তিনি।


এরপর হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ১৪৮ রানের জুটি দলীয় স্কোরকে বেশ সমৃদ্ধ করে। সাকিব আল হাসান তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ শতক। মুশফিকও পান অর্ধশতকের দেখা। সবচেয়ে বড় এই জুটিটি ভাঙেন কুমুঙ্গজি। তার বলে পানিঙ্গারা বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাকিব। এর কিছুক্ষণ পরেই নো বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। তবে সেই যাত্রায় রেহাই পেলেও ব্যক্তিগত রানের চাকা বেশি দূর গড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। ব্যক্তিগত ৬৫ রান করে পানিঙ্গারার শিকার হন মুশফিক। এরপর আবারও কিছুটা শঙ্কা জাগে বাংলাদেশ শিবিরে। বিপদমুক্ত হলেও স্কোরটা যুতসই মনে হচ্ছিল না। এ যাত্রায় সেই কাজটি সুন্দরভাবে শেষ করেন সাব্বির রহমান। ২৫ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।