‘শফিউল হত্যা মামলার তদন্ত বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে’

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৪, ১৯:৫৯



পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেছেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফিউল ইসলাম হত্যা মামলা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। শিগগিরই  ইতিবাচক তথ্য জানানো হবে।’

শনিবার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৪তম বহিরাগত ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এর আগে আইজিপি ৩৪তম ব্যাচে ৯৮ জন নারীসহ ১ হাজার ৩২১ জন শিক্ষানবীস সাব-ইন্সপেক্টরদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহন, কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের পদক প্রদান করেন। এদের মধ্যে ড্রিলে সাকলাইন ইবনে রশিদ, পিটি ও বাঁধা অতিক্রমে রাজিয়া বেগম, মাসকেট্রিতে বোরহান উদ্দিন ভূইয়া, অশ্বচালনায় মোশাররফ হোসাইন চৌধুরী এবং আইন ও সকল বিষয়ে সেরা ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন নাজমুল ইসলাম খান। এদের মধ্যে ২১ প্রশিক্ষনার্থী ডিগ্রি পাস পরীক্ষায় ১ম শ্রেণি, ৪২৭ অনার্সে ১ম শ্রেণি এবং ৫৪৮ জন মাষ্টার্সে ১ম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন যা সারদার ইতিহাসে রেকর্ড বলে আইজিপি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে আইজিপি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধ দমন ও সামাজিক শৃংখলা রক্ষার মাধ্যমে দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় পুলিশের ভ’মিকাই প্রধান। বিশ্বায়নের এই যুগে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নগরায়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তির বিস্তার, যোগাযোগের ক্রমবিকাশের ফলে অপরাধের সংখ্যা ও প্রকৃতিতে ব্যাপক ভিন্নতা এসেছে এবং পুলিশের কার্যক্রমে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ যোগ হচ্ছে। এ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশের মূল চালিকাশক্তি সাব-ইন্সপেক্টরগণকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দক্ষতার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন এটাই হবে পুলিশের মূলমন্ত্র। পুলিশ জনগনের সেবক বাস্তবক্ষেত্রে কর্ম ও আচরণ দ্বারা তার প্রমান দিতে হবে। জনমনে এই ধারণা সৃষ্টি করতে হবে, ‘ভীতি নয়, প্রীতির প্রতিক’ বাংলাদেশ পুলিশ।