পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশের তদন্ত টিমের সাত সদস্য কলকাতার উদ্দ্যোশে ঢাকা ত্যাগ করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে জেট এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে এই টিম ঢাকা ত্যাগ করে। সাত সদস্যদের এই টিম তিন কলকাতায় অবস্থান করবেন। আগামী রবিবার তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
সাত সদস্যের এই টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা মেট্রোপিলটন পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার ( গোয়েন্দা) মনিরুল ইসলাম।
অপর সদস্যরা হলেন, পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি জিএম আজিজুর রহমান, এনএসআইর পারিচালক কার্নেল আবু হেনা মো. মোস্তফা, র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুল কালাম আজাদ, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) মেজর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহা-পরিদর্শক ( গোপনীয়) মাহফজুর রহমান এবং সিআইডির এসএস আশরাফুল ইসলাম।
তদন্ত টিমের একজন সদস্য জানান, প্রথমদিন তারা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
এরপর তারা বর্ধমান পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করে পরিদর্শন করবেন ঘটনাস্থল । এছাড়া বর্ধমান পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত জেএমবি’র নেতা রহমতউল্লাহ ওরফে সাজিদের দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করবেন।
গত ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের ঐ বিস্ফোরণকালে বাংলাদেশের জঙ্গিদের সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এলে তথ্য বিনিময়সহ সন্ত্রাস দমনে একযোগে কাজ করতে একমত হয় প্রতিবেশী দুই দেশ।
এর অংশ হিসেবে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থার একটি প্রতিনিধি দলের সফরের এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা তথ্য সংগ্রহে কলকাতা গেলেন।
গত ১৯ নভেম্বর ঢাকায় সফররত এনআইএ’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের সময় বাংলাদেশের তদন্ত টিমকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।
ঐ সময় দুই দেশের কর্মকর্তাদের বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের ভূখন্ডে জঙ্গি বা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঠেকাতে তাত্ক্ষণিক যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে একমত হন তারা। এআইএ-টিম ১১ জনের একটি তালিকে দিয়েছিল বাংলাদেশের তদন্ত টিমের কাছে। পাশাপাশি র্যাবের পক্ষ থেকে ১০ জঙ্গিসহ ৫১ জনের একটি তালিকা দেওয়া হয় এনআইএকে।
