দূষণ-বিরোধী অভিযান চালিয়ে রবিবার পরিবেশ অধিদপ্তর ৭ কারখানাকে ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. আলমগীর চট্টগ্রাম জেলার সাতটি কারখানার মালিক, প্রতিনিধিকে পরিবেশ অধিদপ্তরে তলব করে শুনানি গ্রহণ করে । পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতি সাধনের জন্য ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করেন। কারখানার মধ্যে রয়েছে দুটি পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিল, দুটি ডাইং মিল, দুটি ফিস প্রসেসিং মিল এবং একটি স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলস।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী দূষণ এবং ইটিপি বন্ধ রেখে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য সরাসরি নদীতে নির্গত করার অপরাধে চিটাগাং এশিয়ান পেপার মিলস লি., নন্দীরহাট, হাটহাজারী, চট্টগ্রামকে ৮ লাখ টাকা, একই অপরাধে সুপার নিটিং অ্যান্ড ডাইং মিলস লি., বায়েজিদ বোস্তমীকে ১৩ লাখ টাকা, এম এ রহমান ডাইং ইন্ডা. লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই ভাবে, চট্টগ্রামের সাগরিকা রোডের মত্স্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার মধ্যে ত্রুটিপূর্ণ ইটিপির মাধ্যমে কারখানা পরিচালনা করে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য খালের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ফেলে সাগরের পরিবেশ, প্রতিবেশের ক্ষতি সাধনের অপরাধে এপেক্স ফুড লিমিটেডকে ১৫ লাখ টাকা, সি মার্ক (বিডি) লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ও ইটিপি নির্মাণ ব্যতিত কারখানা পরিচালনা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি সাধনের অপরাধে ম্যাক পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিডেডেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া, ত্রুটিপূর্ণভাবে ডাস্ট, ফিউম এক্সট্রাকশন সিস্টেমের মাধ্যমে কারখানা পরিচালনা করে বায়ুদূূষণের দায়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ স্টিল ও রি-রোলিং মিলস বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডকে (বিএসআরএম) ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
