স্টুডিওতে আটকে রেখে ধর্ষণ

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭:৫৩
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে স্কুলছাত্রীকে একটি স্টুডিওতে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক। এ ঘটনায় ধর্ষক রাজিব ওরফে রাজু (২৫) ও তার সহযোগী শাহাবুদ্দিনকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে উপজেলার বাঘড়া এলাকার কাঠাঁল বাড়ি থেকে তাদের পাকড়াও করা হয়। 
শ্রীনগর থানার ওসি শেখ মাহবুবুর রহমান জানান, নবম শ্রেণির এক ছাত্রী রবিবার বেলা এগারটার দিকে পরীক্ষার প্রবেশপত্র লেমিনেটিং করার জন্য আলামিন বাজারের রাজু স্টুডিওতে যায়। সেখানে স্টুডিওর মালিক রাজু ও তার দুই সহযোগী কৌশলে মেয়েটিকে ছবি তোলার রুমে নিয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মেয়েটিকে আটকে রেখে রাজু তাকে ধর্ষণ করে ও মোবাইল ফোনে ধর্ষণের দৃশ্য ধারণ করে। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর নানা আইয়ুব আলী বাদী হয়ে রবিবার রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে তিনজনকে আসামি করে শ্রীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীনগর থানার এসআই আলমগীর কবির জানান, রাতেই দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফারকৃত রাজু কাঠাঁলবাড়ি এলাকার আলোচিত ফাইভ মার্ডার ঘটনায় নিহত মনোয়ার আলী চেয়ারম্যানের ভাতিজা। তার বাবার নাম আনোয়ার আলী। শাহাবুদ্দিনের বাড়ি জগন্নাথপট্টি গ্রামে। তার বাবার নাম আ. হক।