খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ক্যাম্পাসকে শুধু পরিচ্ছন্ন রাখলেই চলবে না, সন্ত্রাসমুক্তও রাখতে হবে। এ জন্য ছাত্রলীগকেও সন্ত্রাসমুক্ত হতে হবে। ছাত্রলীগের নেতাদের একসময় মানুষ যেরকম সম্মান করত, আবার সে অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।ছাত্রলীগের অতীত ঐতিহ্য আছে, তোমাদের তা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, যারা ইতিহাস বিকৃত করছে তাদের থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের থেকে ক্যাম্পাসকে মুক্ত রাখতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘ক্লিন ক্যাম্পাস, সেফ ক্যাম্পাস’ কর্মসূচির উদ্বোধিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে সারাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ‘ক্লিন ক্যাম্পাস অ্যান্ড সেইফ ক্যাম্পাস’ নামে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান সোমবার শুরু হয়েছে। আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালিন সময়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবর্জনা তুলে ডাস্টবিনে ফেলবেন।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, জবি ছাত্রলীগের সভাপতি শরীফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
