বিজ্ঞানী ড. জহিরুল আলম সিদ্দিকী, আমি যে ডিভাইস আবিষ্কার করেছি তার সফলতা পেলে ৯৫ ভাগ মানুষেরই প্রাথমিক ভাবে ক্যান্সার শণাক্ত করা সম্ভব। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ও স্থানীয় একটি দৈনিকের যৌথ উদ্যোগে বুধবার দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মাইক্রো সফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে সিলেটে ক্যান্সার ইনস্টিটিউট নির্মাণে সহায়তার জন্য অনুরোধ করবেন বলেও জানান ড. জহিরুল ।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ছয়ফুল কবীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিজ্ঞান বক্তৃতা অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর কল্পনা তালুকদার, প্রভাষক জাকির হোসেন, সাংবাদিক পঙ্কজ দে, খলিল রহমান প্রমুখ। ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী গ্রামের ড. জহিরুল আলম সিদ্দিকী ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিল থেকে অনুদান নিয়ে ন্যানো শেয়ারিং নামের এক যন্ত্রের উদ্ভাবন করেন। এটি দিয়ে প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার সনাক্তকরণ সম্ভব।
তার এই উদ্ভাবনের খবর আমেরিকান ক্যামিকাল সোসাইটির জার্নালসহ বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হলে সারা বিশ্বে হৈচৈ পড়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানী এলান বন্ডের ল্যাব্রেটরিতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো ও অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ব বিদ্যালয়ে বর্তমানে ড. জহিরুল কর্মরত রয়েছেন।
