মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, বাল্যবিয়ে রোধে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন প্রণয়ন ও কার্যকর করা হবে।
তিনি বলেন, যে কোন আইন প্রণয়ন ও কার্যকর হতে সময় লাগে, নানা বিতর্ক হয়। এক্ষেত্রে ২০২১ সালের আগেই একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন পাব বলে বিশ্বাস করি।
প্রতিমন্ত্রী বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বের প্রধান অতিথি হিসাবে একথা বলেন। উইমেন জার্নালিষ্ট নেটওর্য়াক বাংলাদেশ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার ক্রিস্টিয়া টার্ডিফ। অতিথি আলোচক হিসাবে ছিলেন ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা মাতাাভেল পিক্কিন, ইউএন উইমেন এর আবাসিক প্রতিনিধি ক্রিস্টাইন হান্টার, ইউনিসেফের উপ প্রতিনিধি লুইস মভোনো, ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামলদত্ত এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিয়ের বয়স কমানো নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছে। বাল্যবিয়ের আইন প্রণয়ন হওয়ার আগে তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। এটি প্রণয়নে গনমাধ্যম ইতিবাচক ভুমিকা রেখেছিল।
দেশে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নারীদের প্রথমশ্রেণীর নাগরিক হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়না মন্তব্য করে তিনি বলেন, সামাজিকভাবে দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, সচেতনতা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সর্ম্পকে অজ্ঞতার কারণে বাল্যবিয়ের হার কমছে না।
কানাডিয়ান হাইকমিশনার ক্রিস্টিয়া টার্ডিফ বলেন, বাল্যবিয়ে বা জোরপূর্বক বিয়ে বন্ধ করার প্রচেষ্টা জটিল হতে পারে,কিন্তু নীতিটা জটিল নয়। আমরা বিশ্বাস করি সমাজে নারীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নই পারে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল রাস্ট্রের মূল শিকড়। বাল্যবিয়ে বা জোরপূর্বক বিয়ে বন্ধ হলে কিশোরী, তাদের কমিউনিটি ও দেশসহ সকলেই লাভবান ও উপকৃত হবেন।
