খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক :স্বীকার, অস্বীকার

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৪, ০১:১৬

বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে কতিপয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বৈঠক নিয়ে ’স্বীকার-অস্বীকার’ বিতর্কের আবর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকেই এ নিয়ে দুই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেয়েছে।

দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, কোন সরকারি কর্মকর্তাই ওই বৈঠকে ছিলেন না। অপরদিকে চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল সাংবাদিকদের কাছে এ বৈঠকের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, সাবেক ও বর্তমান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আসতেই পারেন। ‘জনতার মঞ্চ’ হয়েছিল কীভাবে? তখনতো সার্ভিস রুল ভঙ্গ হয়নি!
আর সাবেক কর্মকর্তারা তো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণেই এসেছেন। এদিকে যুগ্ম সচিব (ওএসডি) একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, তারা ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত হওয়ার জন্য সচিবালয়ের ৯ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চিহ্নিত করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। ওই ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন- যুগ্ম সচিব (ওএসডি) একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহাকারী সচিব (ওএসডি) এহসানুল হক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (বর্তমানে প্রেষণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে) বাদিউল কবির, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইব্রাহীম মিয়াজী, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের নূরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আব্দুল মান্নান ও একেএম হুমায়ুন কবীর, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী শহীদুল হক ও এজি অফিসের কর্মচারী আব্দুল মান্নান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কামাল আব্দুল নাসেরের কাছে গোয়েন্দা সংস্থা ওই ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।