বিশিষ্ট অভিনেতা খলিল উল্লাহ খান আর নেই। রবিবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্ট, ফুসফুস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন।
খলিল খানের জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সিলেটের কুমারপাড়ায়। তিনি ১৯৪৮ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৫১ সালে মদনমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেন। সিলেট এমসি কলেজ থেকে তিনি স্নাতক পাস করেন। অভিনয় জগতে আসার আগে তিনি আনসারের কর্মকতা ছিলেন।
১৯৫৯ সালে ‘সোনার কাজল’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় শুরু করেন। এছাড়া তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে- ‘পুনম কি রাত’, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’, ‘উলঝান’, ‘সমাপ্তি’, ‘তানসেন’, ‘নদের চাঁদ’, ‘পাগলা রাজা’, ‘বেঈমান’, ‘অলঙ্কার’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ফকির মজনুশাহ’, ‘কন্যাবদল’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘আয়না’, ‘মধুমতি’, ‘ওয়াদা’, ‘ভাই ভাই’, ‘বিনি সুতার মালা’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সুখে থাকো’, ‘অভিযান’, ‘কার বউ’, ‘কথা কও’, ‘দিদার’, ‘আওয়াজ’, ‘নবাব’ প্রভৃতি।
চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন খলিল। তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া।
