'মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ'

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৮:৩৪

‘মৎস্য চাষ ও আহরণে শুধু বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, এখন দেশের বেশ কয়েকটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে মৎস্য চাষ ও আহরণ প্রক্রিয়ার বিষয়ে গবেষণা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কৃষি অনুষদের শিক্ষক লাউঞ্জে ‘রিসার্চ মেথোডোলজি অন ফিশারিজ পোস্ট হারভেস্ট এ্যাক্টিভিটিস’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এই তথ্য প্রকাশ করেন।
সেমিনারে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে মৎস্য আহরণ পরবর্তী করণীয় বিষয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।
রাবি ফিশারিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফৌজিয়া এদিব ফ্লোরা’র সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রাবি কৃষি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. এনআইএম আব্দুস সালাম ভূঁইয়া। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য গবেষক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম নওশাদ আলম। আলোচক ছিলেন রাবির ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন সহযোগী অধ্যাপক এম মনজুরুল আলম।
বক্তারা বলেন, ‘মৎস্য বিষয়ক সরকারি কর্মশালা ও সেমিনারে শুধু মৎস্য চাষের ব্যাপারেই গুরুত্ব দেয়া হয়। কিন্তু মৎস্য চাষের সঙ্গে এর আহরণ ও সংরক্ষণের গুরুত্ব দেয়া হয়নি। যার ফলে আজও আমাদের দেশের জনগণের আমিষের চাহিদা পূরণ সম্ভব হয় নি।’ এ বিষয়ের গবেষণায় শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হলে জাতীয় জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রসঙ্গত, সেমিনারে নাটোর, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার মৎস্য কর্মকর্তাসহ বিভাগের শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন।