১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর আটককৃত সন্দেহভাজন আল-কায়েদা সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বর্বর নির্যাতন চালানোর জন্য দায়ী মার্কিন কর্মকর্তাদের বিচারের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
সিআইএ’র কর্মকর্তাদের জেরার পদ্ধতি নিয়ে যে রিপোর্ট মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে তাতে বলা হয়, সন্দেহভাজন আল-কায়েদা সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য বের করার জন্য তাদের বিদেশে গোপন জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রগুলোতে রাখা হয়েছিল। তাদের জেরার সময় ঘুমোতে না দেয়া এবং মুখে কাপড় চেপে ধরে পানি ঢালতে থাকার মতো পাশবিক পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল।
কোন কোন বন্দীকে ১৮০ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে দেয়া হয়নি। অনেককে পেটানো হয়েছে, নানা রকম অবমাননাকর নির্যাতন করা হয়েছে।
কিন্তু এসব পদ্ধতি অবলম্বন করেও তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করা যায় নি।
জাতিসংঘের কর্মকর্তা বেন এমারসন বলেছেন, মার্কিন সেনেটের রিপোর্টে যে সব পন্থার বর্ণনা উঠে এসেছে - তাতে মানবাধিকারের সুস্পষ্ট এবং গুরুতর লংঘন ঘটেছে, এবং তা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বুশের প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদিত হয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামাও বলেছেন যে সিআইএ’র এসব কর্মকান্ড বিদেশে মার্কিন স্বার্থের ক্ষতি করেছে।
তবে মার্কিন বিচার বিভাগ বলছে, কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার মতো যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ ওই রিপোর্টে নেই।
সিআইএ’র পরিচালক জন ব্রেনান অবশ্য এসব কঠোর পদ্ধতি ব্যবহার সমর্থন করেছে। মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকানরাও একই সুরে কথা বলেছেন। খবর বিবিসি।
