‘সরকার বিরোধীদের নির্যাতনের মাধ্যমে মানবাধিকার লংঘন করছে’

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০১৪, ২১:২৯
 
 
 
বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘সাম্য, ন্যায় বিচার, গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করার অন্যতম হাতিয়ার মানবাধিকার। কিন্তু দেশের জনগণ আজ মানবাধিকার ও সুশাসন থেকে বঞ্চিত।’ তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান সরকার নির্বিচারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন করে, বিচার বহির্ভূত হত্যা ও সরকারবিরোধী হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানবাধিকার লংঘন করছে।’ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক প্রেস-ব্রিফিংয়ে খন্দকার মাহবুব এ সব কথা বলেন। এ সময় বার কাউন্সিল নেতা ও সুুিপ্রম কোর্ট বার সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ আইনজীবী নেতা উপস্থিত ছিলেন।
খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত না হবে তত দিন পর্যন্ত দেশের মানুষের জন্য মানবাধিকার একটি কল্পকাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করে সংবাদপত্রসহ গণমাধ্যমের সব প্রতিষ্ঠান সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা রুদ্ধ করতে বেসরকারি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল বন্ধ এবং টক শো নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম ও দুর্নীতির কাহিনী জনসম্মুখ থেকে আড়াল করে রাখাই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। গণতন্ত্রবিহীন রাষ্ট্রে কখনো মানবাধিকার থাকে না।’