পৃথিবী বিখ্যাত কিংবদন্তী পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মনে করেন 'জেমস বন্ড' চলচ্চিত্রের খলনায়ক চরিত্রের জন্য তিনি যথার্থ। সম্প্রতি উইয়ারড ম্যগাজিনে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, "'জেমস বন্ড' ছবির একজন ভিলেন হিসেবে আমার চরিত্র চমৎকার মানিয়ে যেতে পারে। আমি মনে করি আমার হুইল চেয়ার আর কপম্পিউটারের এই যান্ত্রিক গলার আওয়াজের সঙ্গে তা বেশ ভালোভাবে মানিয়ে যাবে।"
পদার্থ বিজ্ঞানী এবং 'ব্ল্যাক হোল'-এর আবিষ্কারক তার গলার আওয়াজ দিয়েছেন একটি কার্টুন ভার্সন 'দ্যি সিম্পন্সন'-এ।
উল্লেখ্য, হকিং এর বয়স এখন ৭২। যখন তার বয়স ২১ তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন 'মটর নিউরণ ডিজিজ' নামের এক মরণ ব্যাধীতে। যার আমেরিকান নাম 'লো গেইরিজ ডিজিজ'। এই কঠিন রোগ তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে অচল করে দিতে থাকে। মুখের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়। ফলে তার কথা অনেক বেশি অস্পষ্ট হয়ে যায়। ৩৮ বছর বয়সে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। কথা বলার ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেন তিনি। তখন চিকিৎসকেরা তার ঘাড়ে ছিদ্র করে একটি টিউব প্রবেশ করিয়ে দেন তার শ্বাসকার্য ঠিকমতো পরিচালনার জন্য।
১৯৯৭ সালে কম্পিউটারের একটি বিশেষ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হাতের স্পর্শে শব্দ একটি করে বাছাই করে পূর্ণ একটি বাক্য গঠন হলে তা রোবোটিক ভাষায় প্রকাশ করে।
বর্তমানে হকিং দীর্ঘক্ষণ তার হাত ব্যবহার করতে না পারায় থুঁতনি ব্যবহার করে তিনি সহজেই শব্দ বাছাই করতে পারেন।
পদার্থ বিজ্ঞানী এবং 'ব্ল্যাক হোল'-এর আবিষ্কারক তার গলার আওয়াজ দিয়েছেন একটি কার্টুন ভার্সন 'দ্যি সিম্পন্সন'-এ।
উল্লেখ্য, হকিং এর বয়স এখন ৭২। যখন তার বয়স ২১ তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন 'মটর নিউরণ ডিজিজ' নামের এক মরণ ব্যাধীতে। যার আমেরিকান নাম 'লো গেইরিজ ডিজিজ'। এই কঠিন রোগ তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে অচল করে দিতে থাকে। মুখের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়। ফলে তার কথা অনেক বেশি অস্পষ্ট হয়ে যায়। ৩৮ বছর বয়সে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। কথা বলার ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেন তিনি। তখন চিকিৎসকেরা তার ঘাড়ে ছিদ্র করে একটি টিউব প্রবেশ করিয়ে দেন তার শ্বাসকার্য ঠিকমতো পরিচালনার জন্য।
১৯৯৭ সালে কম্পিউটারের একটি বিশেষ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হাতের স্পর্শে শব্দ একটি করে বাছাই করে পূর্ণ একটি বাক্য গঠন হলে তা রোবোটিক ভাষায় প্রকাশ করে।
বর্তমানে হকিং দীর্ঘক্ষণ তার হাত ব্যবহার করতে না পারায় থুঁতনি ব্যবহার করে তিনি সহজেই শব্দ বাছাই করতে পারেন।
